এই ১০টি ওয়াটার পাম্প বায়োফ্লক ফিশ ফার্মিং এর জন্য সেরা

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্মের মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে নতুন ধরনের রাজনীতির সূচনা ঘটে, উন্মেষ হয় ধর্মনিরপেক্ষ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির।

“নতুন দলটি দুটো বিষয়কে ধারণ করলো: একটা হচ্ছে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিক্ষোভ, সেটা রাজনীতিকদের মধ্যে, আবার মধ্যবিত্তের মধ্যে বিক্ষোভ তৈরি হলো কারণ তারা দেখলো যে সরকার পরিচালনায় আমলাতন্ত্রের প্রাধান্য তৈরি হয়েছে এবং সেখানে বাঙালির প্রতিনিধিত্ব নেই।”

তিনি বলেন, আওয়ামী মুসলিম লীগ কতো দূর যাবে সেটা প্রথমে বোঝা যায়নি। কিন্তু রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের পর দলটি অনেক দূর এগিয়ে গেল।

আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনের সময় ও পরে শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ সময় কারাগারে আটক ছিলেন। যখন জেল থেকে বের হয়ে এলেন তখন মওলানা ভাসানীসহ তার রাজনৈতিক সহকর্মীরা জেলে বন্দী। এসময় তিনি সোহরাওয়ার্দীকে সাথে নিয়ে পূর্ব বাংলার জেলায় জেলায় ঘুরে সংগঠন গড়ে তুলেন।

শেখ মুজিবুর রহমান তার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থে লিখেছেন: “এই সময় প্রায় প্রত্যেকটা মহকুমায় ও জেলায় আওয়ামী লীগ সংগঠন গড়ে উঠেছে। শহীদ সাহেবের সভার পরে সমস্ত দেশে এক গণজাগরণ পড়ে গেল। জনসাধারণ মুসলিম লীগ ছেড়ে আওয়ামী লীগ দলে যোগদান করতে শুরু করেছিল।”

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.